লগারিদম(logarithm) কাকে বলে? লগারিদম কেন ব্যবহার করা হয়?

লগারিদম বা লগ কি?

আমরা নিচের চিত্রের সাহায্যে খুব সহজেই লগারিদম আসলে কি, সেটা বুঝতে চেষ্টা করবো।

লগারিদম(logarithm) কাকে বলে। লগারিদম কেন ব্যবহার করা হয়

লগারিদমে বেস জিনিসটা খুব গুরুত্বপূর্ণ।

চিত্রে, ১ নং সমীকরনে বেস ৩ কিন্তু ২ নং সমীকরনে বেস  ৯

কোনো সংখ্যার লগারিদম মানে, বেসকে কত সংখ্যকবার গুন করলে আমরা সেই সংখ্যা পাবো। যেমন সমীকরন ১ এর মানে, ৩ কে কত সংখ্যকবার গুন করলে আমরা ৮১ পাবো। আবার সমীকরন দুই মানে, ৯ কে  কত সংখ্যকবার গুন করলে আমরা ৮১ পাবো।

৩×৩×৩×৩=৮১  দেখা যাচ্ছে যে, ৪ টা ৩ গুন করলে আমরা ৮১ পাচ্ছি। সুতারাং ১ নং সমীকরনের উত্তর হবেঃ ৪ 

৯×৯=৮১ দেখা যাচ্ছে যে, ২ টা  ৯ গুন করলে আমরা ৮১ পাচ্ছি। সুতারাং ২ নং সমীকরনের উত্তর হবেঃ ২

 

নিচে লগারিদম মানের কিছু সহজ উদাহরণ দেওয়া হলঃ

log10(10)=

log10(100)= 2

log10(1000) = 3

log10(10000)= 4 ইত্যাদি

 

এবার আসি লগারিদম কেন ব্যবহার করা হয়?

সহজে উওর দিলে গানিতিক হিসাব সহজ করতে লগারিদম ব্যবহার করা হয়। অনেক জায়গায় লগারিদমের ব্যবহার আছে যেমন,

  • pH স্কেলে
  • শব্দের তীব্রতা পরিমাপে
  • ভুমিকম্পের মাত্রা নির্ণয়ে
  • গুনোত্তর ধারার আপ্লিকেশনে ইত্যাদি...

বাস্তব জীবনে ব্যবহারঃ আচ্ছা আমরা উপরের চিত্রের ১নং সমীকরনের একটা ব্যবহার তুলে ধরব। মনেকরুন একটা ব্যাংক আছে ,যেটি প্রতিবছর ৩ গুন টাকা ফেরত দেয়। অর্থাৎ আপনি ৫ টাকা রাখলে ১ বছরে ১৫ টাকা পাবেন। আবার দুই বছর শেষে পাবেন ৬০ টাকা(১৫ এর ৪ গুন)। এখন আপনার টাকা ৮১ গুন হতে কত সময় লাগবে ? উত্তর সোজা, ৩ কে বেস ধরে ৮১ এর লগের মানই হচ্ছে উত্তর অর্থাৎ ৪ বছরে। অর্থাৎ ৫ টাকা ৮১ গুন(৪০৫টাকা) হতে সময় লাগবে ৪ বছর।

Post a Comment

0 Comments